১০ তম বিসিএস ১১ তম বিসিএস ১২ তম বিসিএস ১৩ তম বিসিএস ১৪ তম বিসিএস ১৫ তম বিসিএস ১০তম বিসিএস ১. ‘আনারস’ এবং ‘চাবি’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে — ক) পর্তুগিজ ভাষা হতে খ) আরবি ভাষা হতে গ) দেশী ভাষা হতে ঘ) ওলন্দাজ ভাষা হতে ব্যাখ্যা:পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত অন্যান্য বাংলা শব্দ হলো আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, পেরেক, জানালা, বারান্দা, কামরা, ইংরেজ, গুদাম, গির্জা, পাদ্রি, কেরানি, আয়া, পেঁপে, পেয়ারা, আতা, আচার, পাউরুটি, তামাক, বোতাম, ফিতা, টুপি, সেমিজ, কামিজ, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি ইত্যাদি। ২. শুদ্ধ বানান কোনটি? ক) মূমুর্ষু খ) মুমূর্ষু গ) মূমূর্ষ ঘ) মুমূর্ষ ব্যাখ্যা: ৩. গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত কোনটি? ক) শবপোড়া খ) মড়াদাহ গ) শবদাহ ঘ) শবমড়া ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। শব ও দাহ তৎসম শব্দ । সুতরাং শবদাহ ব্যতীত অন্যান্য শব্দ গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। ৪. ‘কবর’ নাটকটির লেখক — ক) জসীমউদ্দীন খ) নজরুল ইসলাম গ) মুনীর চৌধুরী ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ব্যাখ্যা: সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে জেলে বসে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন। নাটকটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশ পায়। ৫. ‘উভয়কূল রক্ষা’ অর্থে ব্যবহৃত প্রবচন কোনটি? ক) কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাস খ) চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো গ) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ঘ) বোঝার উপর, শাকের আঁটি ব্যাখ্যা: ‘কারো পৌষমাস কারও সর্বনাশ’ → কারও সুদিন কারও দুর্দিন। ‘চাল না চুলো, ঢেকী না কুলো’ → নিতান্ত গরিব। ‘বোঝার উপর শাকের আঁটি’ → অতিরিক্তের অতিরিক্ত। ৬. শুদ্ধ বাক্য কোনটি? ক) দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়া খ) দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল গ) দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল ঘ) দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল ব্যাখ্যা: অনাথা শব্দটি অনাথ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ। বর্তমান বাংলা ভাষা রীতি অনুসারে শব্দের শেষে ‘ঃ’ বসে না। তাই ‘দুর্বলতাবশতঃ’ এর শুদ্ধরূপ ‘দুর্বলতাবশত' । ৭. ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয় — ক) বিভক্তি খ) ধাতু গ) প্রত্যয় ঘ) কৃৎ ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ক্রিয়া বিভক্তি। ৮. ‘রত্নাকর’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ — ক) রত্না + কর খ) রত্ন + কর গ) রত্না + আকার ঘ) রত্ন + আকর ব্যাখ্যা: এখানে, অ + আ = আ হয়েছে। এরূপ আরো কয়েকটি সন্ধির উদাহরণ হলো- হিমালয়, দেবালয়, সিংহাসন ইত্যাদি। ৯. কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে? ক) পাকা পাকা আম খ) ছি ছি কি করছ গ) নরম নরম হাত ঘ) উড়ু উড়ু মন ব্যাখ্যা: নরম নরম হাত → তীব্রতা বা সঠিকতা বোঝাতে। উড়ু উড়ু মন → সামান্যতা বোঝাতে। ছি ছি, কি করছ → ভাবের গভীরতা বোঝাতে। ১০. কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক? ক) যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না খ) অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট গ) নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা ঘ) যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয় ব্যাখ্যা:সঠিকপ্রবচন বাক্য গুলো হবেঃ ক) যত গর্জে তত বর্ষে না, গ) নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা, ঘ) যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই সন্ধ্যা হয়। ১১. বাংলায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক —- ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ) বিষ্ণু দে গ) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ঘ) বুদ্ধদেব বসু ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সর্বপ্রথম টি.এস. এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করনে। বুদ্ধদেব বসুও টি.এস. এলিয়টের কবিতার অনুবাদ ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে প্রকাশ করেন। ১২. ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্হে সংকলিত প্রথম কবিতা — ক) অগ্রপথিক খ) বিদ্রোহী গ) প্রলয়োল্লাস ঘ) ধূমকেতু ব্যাখ্যা:বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) । এ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ' প্রলয়োল্লাস'। ধূমকেতু ও বিদ্রোহী কবিতাও অগ্নিবীণার অন্তর্গত। অগ্রপথিক কবিতাটি নজরুল ইসলামের 'জিঞ্জীর' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত । ১৩. ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ রচিত — ক) কবিতার নাম খ) গল্প সংকলনের নাম গ) উপন্যাসের নাম ঘ) কাব্য সংকলনের নাম ব্যাখ্যা: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রবাসী পত্রিকায় ১৯২৮ সালে প্রথম ছাপা হয় এবং ১৯২৯ সালে গ্রন্হ হিসেবে প্রকাশিত হয়। অমিত, লাবণ্য, কেতকী রায়, শোভনলাল এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। ১৪. কোন বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত? ক) তিনিই সমাজের মাথা খ) মাথা খাটিয়ে কাজ করবে গ) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল ঘ) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা ব্যাখ্যা: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে বাক্যে 'মাথা' শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যাবহৃত হয়েছে । ১৫. কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে? ক) নিখুঁত খ) আনমনা গ) অবহেলা ঘ) নিমরাজী ব্যাখ্যা:নিম ফারসি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় মোট ১০ টি ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয় → কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। অন্যান্য বিদেশি উপসর্গের মধ্যে: ইংরেজি → হাফ, ফুল, হেড ও সাব; আরবি → আম, খাস, লা, গর; হিন্দি/ উর্দু → হর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৬. ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা কে? ক) শামসুর রাহমান খ) আলতাফ মাহমুদ গ) হাসান হাফিজুর রহমান ঘ) আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ব্যাখ্যা: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এ গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩) গ্রন্থে। গানটির প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়। ১৭. কোনটি তদ্ভব শব্দ? ক) চাঁদ খ) সূর্য গ) নক্ষত্র ঘ) গগন ব্যাখ্যা: সূর্য, গগন ও নক্ষত্র হলো তৎসম শব্দ। অন্য ভাষার যেসব শব্দ অর্থ ঠিক রেখে বানান ও উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং একটি নিজস্ব রূপ গ্রহণ করেছে তাদেরকে তদ্ভব শব্দ বলে। যেমন - হাত, ভাত, চামার, কামার, চান, সাঁঝ, বৌ, নুন ইত্যাদি। ১৮. বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে? ক) কেশব চন্দ্র সেন খ) গিরিশচন্দ্র সেন গ) মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ঘ) মওলানা আকরাম খাঁ ব্যাখ্যা: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ ছয় বছর (১৮৮১-৮৬) পরিশ্রম করে কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদ করেন। তিনি ১৮৩৫ সালে বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭১ সালে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হন। ১১ তম বিসিএস ১. ‘বৈরাগ্য সাধনে — সে আমার নয়।’ শূন্যস্থান পূরণ করুন। ক) আনন্দ খ) মুক্তি গ) বিশ্বাস ঘ) আশ্বাস ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নৈবেদ্য’ কাব্যগ্রন্হের ৩০ তম কবিতার প্রথম লাইন হলো “বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি সে আমার নয়”। ২. সমাস ভাষাকে — ক) সংক্ষেপ করে খ) বিস্তৃত করে গ) ভাষারূপ ক্ষুণ্ন করে ঘ) অর্থবোধক করে ব্যাখ্যা: সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। ৩. ‘সূর্য’-এর প্রতিশব্দ — ক) সুধাংশু খ) শশাম্ক গ) বিধু ঘ) আদিত্য ব্যাখ্যা: সূর্য → এর প্রতিশব্দ হলো রবি, ভানু, আফতাব, ভাস্কর, আদিত্য, দিবাকর, তপন, দিনমণি, মার্তণ্ড, অর্ঘমা, অর্ক, পুষা, সবিতা, প্রভাকর, মিহির, অরুণ, দিনেশ, বিভাকর, বালার্ক ইত্যাদি। ৪. ‘অর্ধচন্দ্র’-এর অর্থ — ক) গলাধাক্কা দেয়া খ) অমাবস্যা গ) দ্বিতীয়ত ঘ) কাস্তে ব্যাখ্যা: ৫. কোনটি শুদ্ধ? ক) সৌজন্নতা খ) সৌজন্যতা গ) সৌজনতা ঘ) সৌজন্য ব্যাখ্যা: ৬. বেগম রোকেয়ার রচনা কোনটি? ক) ভাষা ও সাহিত্য খ) আয়না গ) লালসালু ঘ) অবরোধবাসিনী ব্যাখ্যা: অবরোধবাসিনী → লেখিকা রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি গ্রন্থ। বেগম রোকেয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হিসেবে বিবেচিত গ্রন্থটি ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। এ প্রবন্ধে নারীর দুঃখ দুর্দশার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। "মতিচূর " "সুলতানার স্বপ্ন" " Sultana's dream' তার রচনা। ৭. বাংলা গীতি কবিতায় ভোরের পাখি কে? ক) বিহারীলাল চক্রবর্তী খ) প্যারীচাঁদ মিত্র গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঘ) শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার জনক। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম দিকে সফল গীতিকবিতা রচনার জন্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ উপাধি দেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্হ হলো- স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক (১৮৬২), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিসর্গ সন্দর্শন (১৮৭০), বন্ধুবিয়োগ (১৮৭০), প্রেম প্রবাহিনী ও সারদামঙ্গল। ৮. কোনটি শুদ্ধ বাক্য? ক) একটা গোপনীয় কথা বলি খ) একটি গোপন কথা বলি গ) একটি গোপন কথা বলি ঘ) একটি গুপ্ত কথা বলি ব্যাখ্যা: ৯. ‘শিষ্টাচার’-এর সমার্থক শব্দ কোনটি? ক) নিষ্ঠা খ) সদাচার গ) সততা ঘ) সংযম ব্যাখ্যা: ‘নিষ্ঠা’ অর্থ একাগ্রতা, অনন্যচিত্ততা। ‘সততা’ অর্থ সত্যপরায়ণতা, সত্যনিষ্ঠা। ‘সংযম’ অর্থ নিয়ন্ত্রণ, দমন। ‘শিষ্টাচার’ অর্থ ভদ্রতা, সৌজন্য, সদাচার। ১০. ‘সংশয়’-এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি? ক) নির্ভয় খ) বিস্ময় গ) প্রত্যয় ঘ) দ্বিধা ব্যাখ্যা: ভয় → নির্ভয়; প্রত্যয় → সংশয়; দ্বিধা → নির্দ্বিধা; বিস্ময় → প্রত্যয়। ১১. ‘ক্ষমার যোগ্য’-এর বাক্য সংকোচন — ক) ক্ষমার্হ খ) ক্ষমাপ্রার্থী গ) ক্ষমা ঘ) ক্ষমাপ্রদ ব্যাখ্যা: ১২. ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা — ক) মুহম্মদ আব্দুল হাই খ) মোঃ বরকতুল্লাহ গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ঘ) মওলানা আকরম খাঁ ব্যাখ্যা: মওলানা আকরম খাঁর (১৮৬৮-১৯৬৮) শ্রেষ্ঠ রচনা ‘মোস্তফা চরিত’ (১৯২৩)। এটি হযরত মুহম্মদ (স)-এর জীবনীমূলক রচনা। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ‘তফসিরুল কুরআন’ (পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ), ‘সমাজ ও সমাধান’, ‘মোসলেম বাংলার সামাজিক ইতিহাস’, ‘মুক্তি ও ইসলাম’। ১৩. ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা — ক) মুহম্মদ আব্দুল হাই খ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ গ) আবুল মনসুর আহমেদ ঘ) আতাউর রহমান ব্যাখ্যা: আবুল মনসুর আহমেদ রচিত গ্রন্থাবলিঃ উপন্যাস → সত্যমিথ্যা, আবে হায়াত, জীবনক্ষুধা গল্পগ্রন্থ → আয়না, ফুড কনফারেন্স, আসমানী পর্দা রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ → আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর, শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু শিশুসাহিত্য → কাসাসুল আম্বিয়া, গালিভারের সফরনামা ১৪. পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক — ক) ভারতচন্দ্র রায় খ) দৌলত কাজী গ) সৈয়দ হামজা ঘ) আব্দুল হাকিম ব্যাখ্যা: উপরিউক্ত কবিদের মধ্যে শুধু সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্য রচনা করেন। তবে তিনি প্রথম আদি রচয়িতা নন। পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় লেখক ফকির গরীবুল্লাহ ১৫. ‘চাচা কাহিনীর’ লেখক — ক) সৈয়দ শামসুল হক খ) সৈয়দ মুজতবা আলী গ) শওকত ওসমান ঘ) ফররুখ আহমেদ ব্যাখ্যা: সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত রচনাবলিঃ উপন্যাস → শবনম, অবিশ্বাস্য ভ্রমণকাহিনী → দেশে-বিদেশে, জলে-ডাঙায় ছোটগল্পগ্রন্থ → চাচা কাহিনী, টুনি মেম রম্যরচনা → পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী ১৬. বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলে — ক) শব্দ খ) কারক গ) পদ ঘ) ক্রিয়াপদ ব্যাখ্যা: বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে পদ বলে। বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি শব্দকেও পদ বলে। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সাথে নাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। যে পদ দ্বারা কোনো কার্য সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলে। ১৭.‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক — ক) বঙ্কিমচন্দ্র খ) শরৎচন্দ্র গ) তারাশংকর গ) নজরুল ইসলাম ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৫ সেপ্টেম্বর ১৮৭৬ - ১৬ জানুয়ারি ১৯৩৮) ছিলেন একজন বাঙালি লেখক, ঔপন্যাসিক, ও গল্পকার। তার অনেক উপন্যাস ভারতবর্ষের প্রধান ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে। উপন্যাস → বড়দিদি (১৯১৩), পল্লীসমাজ (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (চারখণ্ডে ১৯১৭ - ১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), পথের দাবী (১৯২৬), পরিণীতা (১৯১৪), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১) ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জনপ্রিয়তার দরুন তিনি 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' নামে খ্যাত। ১২ তম বিসিএস ১. ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়? ক) বিভক্তি খ) ধাতু গ) প্রত্যয় ঘ) কৃৎ ব্যাখ্যা: ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ক্রিয়া বিভক্তি। ২. ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা? ক) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত খ) মধুসূদন দত্ত গ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ঘ) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ' পদ্মিনী উপাখ্যান ' কাব্যের ' স্বাধীনতা - হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' স্তবকটি দেশাত্মবোধের এক শাশ্বত বাণী বিশেষ। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ - পদ্মিনী উপাখ্যান, কর্মদেবী, শূরসুন্দরী, নীতি কুসুমাঞ্জলি ও কাঞ্চী কাবেরী। ৩. শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন — ক) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন খ) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন গ) বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন ঘ) বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন ব্যাখ্যা: শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ হলো: বিদ্যান → বিদ্বান, দারিদ্র → দারিদ্র্য, দারিদ্রতা → দরিদ্রতা। ৪. কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে? ক) নিখুঁত খ) আনমনা গ) অবহেলা ঘ) নিমরাজী ব্যাখ্যা: নিম ফারসি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় মোট ১০ টি ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়- কার, দর, না,নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। ৫. কোন বানানটি শুদ্ধ? ক) পাষাণ খ) পাষান গ) পাসান ঘ) পাশান ব্যাখ্যা: ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী ঋ,র,ষ এর পরে ণ হয়। যেমন-তৃণ, ঋণ, রেণু, বিশেষণ, পাষাণ, দূষণ, ভীষণ প্রভৃতি। ৬. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি — ক) শাহ মুহম্মদ সগীর খ) সাবিরিদ খান গ) শেখ ফয়জুল্লাহ ঘ) মুহাম্মদ কবীর ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাচীনতম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তার বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জুলেখা’। ৭. ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’ রচিয়তা — ক) রামনিধি গুপ্ত খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ) অতুল প্রসাদ সেন ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ব্যাখ্যা: "মোদের গরব মোদের আশা, আ - মরি বাংলা ভাষা " - গানটির রচয়িতা অতুল প্রসাদ সেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতবর্ষ এর ঊনবিংশ শতাব্দীতে আবির্ভূত একজন বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও গায়ক। তার রচিত গানগুলোর মূল উপজীব্য বিষয় ছিল দেশপ্রেম, ভক্তি ও প্রেম। ৮. মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’ — ক) মহাকাব্য খ) পত্রকাব্য গ) গীতিকাব্য ঘ) আখ্যানকাব্য ব্যাখ্যা: মধুসূদন দত্ত রচিত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ’, গীতিকাব্য ‘চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী’, আখ্যানকাব্য ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’ এবং পত্রকাব্য ‘বীরাঙ্গনা’। ‘বীরাঙ্গণা’ এগারটি পূর্ণপত্রে রচিত কাব্যগ্রন্থ। ৯. রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা? ক) কৃষ্ণকান্তের উইল খ) চোখের বালি গ) গৃহদাহ ঘ) পথের পাঁচালী ব্যাখ্যা: উপন্যাস → লেখক → চরিত্র কৃষ্ণকান্তের উইল → বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় → রোহিণী, ভ্রমর, গোবিন্দলাল চোখের বালি → রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর → মহেন্দ্র,আশালতা, বিহারী, বিনোদিনী গৃহদাহ → শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় → সুরেশ, অচলা, মহিম পথের পাঁচালী → বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় → অপু, দুর্গা, সর্বজয়া, ইন্দিরা ঠাকরুণ ১০. নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে? ক) ঘোড়াকে চাবুক মার খ) ডাক্তার ডাক গ) গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে ঘ) মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে ব্যাখ্যা: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কিসের দ্বারা’ ‘কি উপায়ে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক। যেমন: ঘোড়াকে চাবুক মার (করণে শূন্য)। জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায় (উপায়-সাধনা), ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে (উপকরণ → ফুল) ডাক্তার ডাক (কর্মে শূন্য)। গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে (অপাদানে শূন্য)। ১১. রূপসী বাংলার কবি —- ক) জসীমউদ্দীন খ) জীবনানন্দ দাশ গ) কালিদাস রায় ঘ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ব্যাখ্যা: কবি জীবনানন্দ দাশ → রূপসী বাংলার কবি, ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, জসীমউদ্দীন → পল্লীকবি, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত → ছন্দের জাদুকর ১২. বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায় — ক) মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি খ) বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য গ) দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য ঘ) অবিমিশ্র দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগে অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মুসলমান সাহিত্যিকদের রচিত ‘দোভাষী পুঁথি’ ছিল আরবি, ফারসি, হিন্দি, বাংলা ও ইংরেজি শব্দের মিশ্রণে রচিত এক ধরনের পুঁথি। এ সাহিত্য কলকাতার সস্তা ছাপাখানা থেকে ছাপা হয়ে দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে একে ‘বটতলার পুঁথি’ নামেও চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলেছে। ১৩. এক কথায় প্রকাশ করুর ‘যা বলা হয়নি’ — ক) অউক্ত খ) অব্যক্ত গ) অনুক্ত ঘ) অব্যাক্ত ব্যাখ্যা: যা বলার যোগ্য নয় → অকথ্য যা বলা হয় নি → অনুক্ত মূক শব্দের অর্থ → বোবা, বাকশক্তিহীন। ১৪. কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে এরা উভয়েই পরিচিত —- ক) রাম বসু এবং ভোলা ময়রা খ) এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায় গ) সাবিরিদ খান এবং দশরথী রায় ঘ) আলাওল এবং ভারতচন্দ্র ব্যাখ্যা: গোজলা গুঁই, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, ভবানী বেনে, নিতাই বৈরাগী, ভোলা ময়রা, এন্টনি ফিরিঙ্গি, রামপ্রসাদ রায় ছিলেন বিখ্যাত কবিওয়ালা। ১৫. কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যেয় যুক্ত হয়েছে? ক) ঠগী খ) পানাস গ) পাঠক ঘ) সেলামী ব্যাখ্যা:ঠগী = ঠক + ঈ, সেলামী = সেলাম + ঈ, পাঠক = পঠ্ + অক। ১৬. বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক? ক) অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম খ) বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী গ) রুই-কাতলা; কেউ কেটা ঘ) বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল ব্যাখ্যা: অমাবস্যার চাঁদ (অদৃশ্য বস্তু), আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)। বক ধার্মিক (ভণ্ড), বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড)। রুই-কাতলা (নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ), কেউ কেটা (সামান্য), বক ধার্মিক (ভণ্ড), ভিজে বেড়াল (কপটচারী)। অর্থাৎ বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী শব্দযুগল সর্বাধিক সমার্থবাচক। ১৭. বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা — ক) নাটক খ) ছোট গল্প গ) প্রবন্ধ ঘ) গীতি কবিতা ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের জীবনচক্রে একটি বিশাল সময়জুড়ে গীতি কবিতা সৃষ্টি ও সমৃদ্ধ হয়েছে। অন্যান্য বিষয়াদি এতো ব্যাপক সময়ব্যাপী বিকাশ লাভ করেনি। ১৮. মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য –- ক) ইউসুফ জুলেখা খ) রসুল বিজয় গ) নূরনামা ঘ) শবে মেরাজ ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাচীনতম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি আনুমানিক পঞ্চদশ শতাব্দীর কবি। ‘ইউসুফ-জুলেখা’ তার বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। তিনি পারস্য কবি আবদুর রহমান জামি রচিত ‘ইউসুফ ওয়া জুলায়েখা’ থেকে কাহিনি গ্রহণ করেছেন। ১৯. বাংলা ভাষা এই শব্দ দুটি গ্রহণ করেছে চীনা ভাষা হতে — ক) চাকু, চাকর খ) খদ্দর, হরতাল গ) চা, চিনি ঘ) রিকশা, রেস্তোঁরা ব্যাখ্যা: চীনা শব্দ → চা, চিনি, সাম্পান, লিচু, লুচি গুজরাটি শব্দ → খদ্দর, হরতাল তুর্কি শব্দ → চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, খোকা, বাবা, বেগম, উজবুক, বাবুর্চি জাপানি শব্দ → রিক্সা, হারিকিরি, জুডো, ক্যারাটে, হাসনাহেনা ফরাসি শব্দ → কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরা, বুর্জোয়া ২০. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত — ক) ভাষাতত্ত্ববিদ খ) সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা গ) ইসলাম প্রচারক ঘ) সমাজ সংস্কারক ব্যাখ্যা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত ভাষাতত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন অধ্যাপক, গবেষক, বহুভাষাবিদ, লেখক ও সম্পাদক। তিনি ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’, ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা’, ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ রচনা করেন। এছাড়া ইসলামী ভাবধারায় তার বেশ কিছু প্রবন্ধ রয়েছে। ১৩তম বিসিএস ১. ‘গোঁফ- খেজুরে’ – এই বাগধারাটির অর্থ কি? ক) আরামপ্রিয়া খ) উদাসীন গ) নিতান্ত অলস ঘ) পরমুখাপেক্ষী ব্যাখ্যা: 'গোঁফ - খেজুরে' শব্দের অর্থ নিতান্ত অলস। ২. কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি? ক) চ ছ খ) ড ঢ গ) ব ভ ঘ) দ ধ ব্যাখ্যা: বৰ্গীয় ধ্বনি → অঘোষ → ঘোষ ক-বৰ্গীয় → ক,খ → গ,ঘ চ-বর্গীয় → চ,ছ → জ,ঝ ট-বর্গীয় → ট,ঠ → ড,ঢ ত-বৰ্গীয় → ত,থ → দ, ধ প-বর্গীয় → প, ফ → ব,ভ ৩. কোন বাক্যে ‘ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়’ প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে? ক) ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কাজে লেগে যাও খ) ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল গ) ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কি খাবে বল ঘ) ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, নিজের পায়ে দাঁড়াও ব্যাখ্যা: ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারাটির অর্থ লুকোচুরি। ঢাক ঢাক গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথা বল — বাক্যটিতেই শুধু এই অর্থ প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম — ক) নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী খ) মধুসূদন ও কুমুদিনী গ) গোবিন্দলাল ও রোহিনী ঘ) সুরেশ ও অচেলা ব্যাখ্যা: চরিত্র → উপন্যাস → লেখক নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী → বিষবৃক্ষ → বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মধুসূদন ও কুমুদিনী → যোগাযোগ → রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুরেশ ও অচলা → গৃহদাহ → শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ৫. ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’- এক কথায় কি হবে? ক) অপূর্ব খ) অদৃষ্টপূর্ব গ) অভূতপূর্ব ঘ) ভূতপূর্ব ব্যাখ্যা: যা পূর্বে দেখা যায়নি → অদৃষ্টপূর্ব; যা পূর্বে কখনো ঘটেনি → অভূতপূর্ব; যা পূর্বে ছিল এখন নেই → ভূতপূর্ব। ৬. কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অভ্যয় ব্যবহৃত হয়েছে? ক) ধন অপেক্ষা মান বড় খ) তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না গ) ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে ঘ) লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে ব্যাখ্যা: ধন অপেক্ষা মান বড় (অনুসর্গ অব্যয়)। তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না (অনুসর্গ অব্যয়)। ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে (অনুকার অব্যয়)। লেখা পড়া কর, নতুবা ফেল করবে (সমুচ্চয়ী অব্যয়)। যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সাথে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে। যেমন: লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে। ৭. কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয়? ক) ১৯৫১ খ) ১৯৬১ গ) ১৯৭১ ঘ) ১৯৮১ ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে, ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে তার জন্মের শতবর্ষ এবং ২০১১ সালে সার্ধশতবর্ষ পালিত হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে, ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে তার জন্মের শতবর্ষ এবং ২০১১ সালে সার্ধশতবর্ষ পালিত হয়। ৮. ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য? ক) জিঞ্জির –- কাজী নজরুল ইসলাম খ) সাত সাগরের মাঝি — ফররুখ আহমদ গ) দিলরুবা — আবদুল কাদির ঘ) নূরনামা — আবদুল হাকিম ব্যাখ্যা: জিঞ্জির → বিদ্রোহের সুর; সাত সাগরের মাঝি → ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য; দিলরুবা → প্রেমপ্রধান; নূরনামা → বাংলা ভাষার গুণকীর্তন। ৯. ‘অনল প্রবাহ’ রচনা করেন — ক) সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী খ) মোজাম্মেল হক গ) এয়াকুব আলী চৌধুরী ঘ) মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ব্যাখ্যা: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজীর সাহিত্যকর্মঃ কাব্য → অনল প্রবাহ, স্পেনবিজয় কাব্য, উচ্ছ্বাস, উদ্বোধন। উপন্যাস → তারাবাঈ, রায়নন্দিনী, ফিরোজা বেগম। ভ্রমণকাহিনী → তুরস্ক ভ্রমণ। ১০. কোন বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে? ক) আমি ভাত খাচ্ছি খ) আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব গ) আমি দুপুরে ভাত খাই ঘ) তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠ ব্যাখ্যা: যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের (মনোভাব) সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। ১১. জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ — ক) ধূসর পাণ্ডুলিপি খ) নাম রেখেছি কোমল গান্ধার গ) একক সন্ধ্যায় বসন্ত ঘ) অন্ধকারে একা ব্যাখ্যা: রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো "ধূসর পাণ্ডুলিপি"। তার আরো কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ হলো - ঝরাপালক, ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন, রূপসী বাংলা, ইত্যাদি। ১২. ‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে — ক) আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে খ) বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে গ) জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর ঘ) প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম ব্যাখ্যা: ‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ বাক্যটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘পালামৌ’ থেকে সংগৃহীত। প্রতিটি জীবই তার স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর এটি বোঝাতেই উপমাটি ব্যবহৃত হয়। ১৩. কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে? ক) ওরা কি করে খ) আপনি আসবেন গ) আমরা যাচ্ছি ঘ) তোরা খাসনে ব্যাখ্যা: ওরা কি করে?- নাম পুরুষ (তুচ্ছার্থে)। আপনি আসবেন?- মধ্যম পুরুষ (সম্মানার্থে)। আমরা যাচ্ছি- উত্তম পুরুষ। তোরা খাসনে- মধ্যম পুরুষ (তুচ্ছার্থে)। ১৪. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়-এর দৃষ্টান্ত — ক) ঘর থেকে ছাড়া - ঘড়ছাড়া খ) অরুণের মতো রাঙা - অরুণরাঙা গ) হাসিমাখা মুখ - হাসিমুখ ঘ) ক্ষণ ব্যাপিয়া স্থায়ী - ক্ষণস্থায়ী ব্যাখ্যা: ঘরছাড়া- পঞ্চমী তৎপুরুষ; অরুণরাঙা- উপমান কর্মধারয়; ক্ষণস্থায়ী- ২য়া তৎপুরুষ। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস এর আরও কিছু উদাহরণ হলো পলান্ন, প্রীতিভোজ, সিংহাসন, ঘিভাত, ধর্মঘট, স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি। ১৫. কোনটি ঐতিহাসিক নাটক? ক) শর্মিষ্ঠা খ) রাজসিংহ গ) পলাশীর যুদ্ধ ঘ) রক্তাক্ত প্রান্তর ব্যাখ্যা: ‘শর্মিষ্ঠা’ মধুসূদন দত্ত রচিত পৌরাণিক নাটক; ‘রাজসিংহ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস; ‘পলাশীর যুদ্ধ’ নবীন চন্দ্র সেন রচিত ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্হ; ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক। ১৬. মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে — ক) মহাকাব্যে খ) নাটকে গ) পত্রকাব্যে ঘ) সনেটে ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের রূপকার, প্রথম সার্থক নাট্যকার, প্রথম পত্রকাব্যকার, প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচয়িতা ও প্রথম প্রহসন রচয়িতা। মধুসূদনের ‘চর্তুদ্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্থে ১০২ টি সনেট রয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার প্রবল দেশপ্রেম প্রকাশ করেছেন সনেটের মাধ্যমে। ১৭. ‘মোসলেম ভারত’ নামক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন — ক) মীর মশাররফ হোসেন খ) মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ গ) মোজাম্মেল হক ঘ) রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী ব্যাখ্যা: মোজাম্মেল হক ‘মোসলেম ভারত’, ‘লহরী’ ও ‘শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা’ সম্পাদনা করেন। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা ‘আজিজন্নেহার’ ও ‘হিতকরী’। মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ সম্পাদিত পত্রিকা ‘ইসলাম প্রচারক’। ১৮. বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের কোন দুটি বানানই শুদ্ধ? ক) হাতি/হাতী খ) নারি/নারী গ) জাতি/জাতী ঘ) দাদি/দাদী ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমির বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ; এমন কিছু শব্দ: অন্তঃস্থ/অন্তস্থ; পাখি/পাখী; বাড়ি/বাড়ী; বাঁশি/বাঁশী; রজনি/রজনী; শ্রেণি/শ্রেণী; সূচী/সূচি; হাতি/হাতী; স্বামি/স্বামী; কলস/কলশ; কুটির/কুটীর; কুমির/কুমীর; গাড়ি/গাড়ী; তরণি/তরণী; দীঘি/দিঘী; দাদি/দাদী। সতুরাং ক ও ঘ দুটি উত্তরই সঠিক। ১৯. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য — ক) মাঝি-মাল্লার সংগ্রামশীল জীবন খ) জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ গ) চাষী-জীবনের করুণ চিত্র ঘ) চরবাসীদের দুঃখী-জীবন ব্যাখ্যা: ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। জেলে জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখের বাস্তব চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো কুবের, কপিলা, মালা, হোসেন মিয়া। ২০. ‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য — ক) প্রতিদান খ) প্রত্যুপকার গ) অকৃতজ্ঞতা ঘ) অসহিষ্ণুতা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘ক্ষুদ্রের দম্ভ’ নামক ২ পঙ্ক্তির অণুকবিতা। এটিতে ক্ষুদ্রের দাম্ভিকতা বা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে। ১৪তম বিসিএস ১. “বউ কথা কও, বউ কথা কও কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেদেঁ কেদেঁ যাবে কত যামিনী”-এই কবিতাংশটুকুর কবি কে? ক) বেনজীর আহমেদ খ) কাজী নজরুল ইসলাম গ) জীবনানন্দ দাশ ঘ) শামসুর রাহমান ব্যাখ্যা: উল্লিখিত অংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল গীতিকা’ সংগীত গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে। ২. বাংলা সাহিত্যে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয় কাকে? ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ) রাজশেখর বসু গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী ব্যাখ্যা: বিহারীলাল চক্রবর্তী বাংলা গীতিকবিতার জনক। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের প্রথম দিকে সফল গীতিকবিতা রচনার জন্য বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ উপাধি দেন। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো- স্বপ্নদর্শন, সঙ্গীত শতক, বঙ্গসুন্দরী, নিসর্গ সন্দর্শন, বন্ধুবিয়োগ, প্রেম প্রবাহিনী ও সারদামঙ্গল। ৩. বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাট্যগ্রন্থ কোনটি? ক) জগৎ মোহিনী খ) বসন্ত কুমারী গ) আয়না ঘ) মোহনী প্রেমপাস ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তার রচিত নাটকের মধ্যে বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, টালা অভিনয় উল্লেখযোগ্য। তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো বিষাদ-সিন্ধু ও উদাসীন পথিকের মনের কথা। মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘রত্নবতী’ (১৮৬৯) মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস। বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তার রচিত নাটকের মধ্যে বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, টালা অভিনয় উল্লেখযোগ্য। তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো বিষাদ-সিন্ধু ও উদাসীন পথিকের মনের কথা। মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘রত্নবতী’ (১৮৬৯) মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস। ৫. কোন বানানটি শুদ্ধ? ক) বিভিসীকা খ) বিভীষিকা গ) বীভিষিকা ঘ) বীভিষীকা ব্যাখ্যা: ৬. কোন খ্যাতিমান লেখক ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন? ক) প্রমথনাথ বিশী খ) প্রমথ চৌধুরী গ) প্রেমেন্দ্র মিত্র ঘ) প্রমথ নাথ বসু ব্যাখ্যা: বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। বীরবল ছদ্মনামে তিনি লিখেছেন ‘বীরবলের হালখাতা’। চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)। তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ- তেল নুন লাকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্থ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্থ- সনেট পঞ্চাশৎ। ৭. বাংলা ভাষার আদি স্তরের স্থিতিকাল কোনটি? ক) দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী খ) একাদশ থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী গ) দ্বাদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দী ঘ) এয়োদশ থেকে সপ্তদশ শতাব্দী ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার আদিস্তর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, দশম থেকে চতুর্দশ শতাব্দী। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী। ৮. যৌগিক বাক্যের অন্যতম গুণ কি? ক) একটি জটিল ও একটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন খ) একটি সংযুক্ত ও একটি বিযুক্ত বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন গ) দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন ঘ) দুটি মিশ্র বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন ব্যাখ্যা: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বাক্য বা মিশ্রবাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন: উদয়াস্ত পরিশ্রম করব, তথাপি অন্যের দারস্থ হব না। ৯. ‘রাবণের চিতা’ বাগধারাটির অর্থ কি? ক) অনিষ্টে ইষ্ট লাভ খ) চির অশান্তি গ) অরাজক দেশ ঘ) সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া বাধানো ব্যাখ্যা: অনিষ্টে ইষ্ট লাভ - শাপে বর। অরাজক দেশ – মগের মুল্লুক। সামান্য কিছু নিয়ে ঝগড়া লাগানো – ফুটো পয়সার লড়াই; চির অশান্তি - রাবণের চিতা। ১০. কোনটি ইব্রাহিম খাঁর গ্রন্থ নয়? ক) আনোয়ার পাশা খ) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র গ) কুচবরণের কন্যে ঘ) সোনার শিকল ব্যাখ্যা: ইব্রাহিম খাঁ রচিত গ্রন্থ: আনোয়ার পাশা (নাটক); ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র (ভ্রমণকাহিনী) এবং সোনার শিকল (গল্পগ্রন্থ); ‘কুচবরণের কন্যে’ বন্দে আলী মিয়া রচিত কাব্য গ্রন্থ। ১১. কোন প্রবচনটি ‘হতভাগ্য’ অর্থে ব্যবহৃত? ক) আট কপালে খ) উড়নচণ্ডী গ) ছা-পোষা ঘ) ভূশণ্ডির কাক ব্যাখ্যা: আট কপালে — হতভাগ্য; উড়নচণ্ডী — অমিতব্যয়ী; ছা-পোষা — পোষ্য ভারাক্রান্ত; ভূশণ্ডির কাক — দীর্ঘায়ু ব্যক্তি। ১২. কার সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ প্রথম প্রকাশিত হয়? ক) প্রমথনাথ চৌধুরী খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত গ) প্যারীচাঁদ মিত্র ঘ) দীনবন্ধু মিত্র ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ‘সংবাদ প্রভাকর’ সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন দৈনিক সংবাদপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয়ে বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ১৩. মৌলিক শব্দ কোনটি? ক) গোলাপ খ) শীতল গ) নেয়ে ঘ) গৌরব ব্যাখ্যা: যে শব্দকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন- গোলাপ, নাক, লাল। যে শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, তাকে সাধিত শব্দ বলে। এখানে শীতল, নেয়ে, গৌরব সাধিত শব্দ। ১৪. যার কোনো মূল্য নেই, তাকে বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করলে কোনটি হয়? ক) ডাকাবুকা খ) তুলশী বনের বাঘ গ) তামার বিষ ঘ) ঢাকের বাঁয়া ব্যাখ্যা: ডাকাবুকা — নির্ভীক; তুলসী বনের বাঘ — ভণ্ড; তামার বিষ — অর্থের কুপ্রভাব; ঢাকের বাঁয়া — যার কোনো মূল্য নেই। ১৫. ‘আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন কে? ক) আলাওল খ) ফকির গরীবুল্লাহ গ) সৈয়দ হামজা ঘ) রেজাউদ্দৌলা ব্যাখ্যা: আমীর হামজা কাব্যের রচয়িতা ফকীর গরীবুল্লাহ। তিনি কাজটি অসমাপ্ত রেখে যান। তার অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করেন সৈয়দ হামজা। ১৬. বাংলা লিপির উৎস কি? ক) সংস্কৃত লিপি খ) চীনা লিপি গ) আরবি লিপি ঘ) ব্রাহ্মী লিপি ব্যাখ্যা: প্রাচীন ভারতীয় লিপি দুটি। ব্রাহ্মী ও খরোষ্ঠী। ব্রাহ্মী লিপি তিন ভাগে বিভক্ত। পূর্বী লিপি, মধ্য ভারতীয় লিপি এবং পশ্চিমা লিপি। পূর্বী লিপির কুটিল রূপ হতে বাংলা লিপির উদ্ভব। ১৭. কোনটি বিশেষণ বাচক শব্দ? ক) জীবন খ) জীবনী গ) জীবিকা ঘ) জীবাণু ব্যাখ্যা: জীবন — বিশেষ্য, জীবিকা — বিশেষ্য, জীবনী — বিশেষণ, জীবাণু — বিশেষ্য। ১৮. বর্ণ হচ্ছে — ক) শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ খ) একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ গ) ধ্বনি নির্দেশক প্রতীক ঘ) ধ্বনির শ্রুতিগ্রাহ্য রূপ ব্যাখ্যা: ১৯. কবি জসিমউদ্দীনের জীবনকাল কোনটি? ক) ১৯০৩ - ১৯৭৬ খ) ১৮৮৯ - ১৯৬৬ গ) ১৮৯৯ - ১৯৭৯ ঘ) ১৯১০ - ১৯৮৭ ব্যাখ্যা: পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ হলো- নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, রাখালী, বালুচর, ধানক্ষেত, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি। ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। ২০. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতায় কবির উপলব্ধি হচ্ছে — ক) ভবিষ্যৎ বিচিত্র ও বিপুল সম্ভাবনাময় খ) বাধা-বিপত্তি প্রতিভাকে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে গ) প্রকৃতি বিপুল ঐশ্বর্য্যের অধিকারী ঘ) ভাঙ্গার পরেই গড়ার কাজ শুরু হয় ব্যাখ্যা: ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘প্রভাতসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত। এটি রবীন্দ্রনাথের প্রথম জীবনে সর্বাপেক্ষা উজ্জ্বল কবিতা। কবিতার প্রথম লাইন- আজি এ প্রভাতে রবির কর/কেমনে পশিল প্রাণের পর। ২১. জাতিবাচক বিশেষ্যের দৃষ্টান্ত — ক) সমাজ খ) পানি ঘ) মিছিল ঘ) নদী ব্যাখ্যা: নদী — জাতিবাচক বিশেষ্য; সমাজ, মিছিল — সমষ্টিবাচক বিশেষ্য; পানি — বস্তুবাচক বিশেষ্য। ১৫তম বিসিএস ১. ‘সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন। হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।’ - চরণ দুটি কার লেখা? ক) কাজী নজরুল ইসলাম খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গ) গোলাম মোস্তফা ঘ) শেখ ফজলল করিম ব্যাখ্যা: হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী লেখক হিসেবে পরিচিত শেখ ফজলল করিমের (১৮৮২-১৯৩৬) ‘পরিত্রাণ কাব্য’ কবিতার চরণ এটি। ২. Wisdom শব্দের বাংলা অর্থ —- ক) জ্ঞান খ) বুদ্ধি গ) মেধা ঘ) প্রজ্ঞা ব্যাখ্যা: Wisdom শব্দটির অর্থ প্রজ্ঞা। ৩. যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না — ক) পতিত খ) অনুর্বর গ) ঊষর ঘ) বন্ধ্যা ব্যাখ্যা: পতিত – যা ফেলে রাখা হয়েছে। অনুর্বর- যে জমির উর্বরতা শক্তি নেই। ঊষর – যে জমিতে ফসল হয় না। বন্ধ্যা – যে নারীর সন্তান হয় না। ৪. ‘অপমান’ শব্দের ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত? ক) বিপরীত খ) নিকৃষ্ট গ) বিকৃত ঘ) অভাব ব্যাখ্যা: একটি উপসর্গ বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন: অপ উপসর্গ বিপরীত অর্থে: অপমান, অপচয়, অপকার। স্থানান্তর অর্থে: অপহরণ, অপসারণ। নিকৃষ্ট অর্থে: অপসংস্কৃতি, অপকর্ম। বিকৃত অর্থে: অপমৃত্যু। ৫. ‘সোনালী কাবিন’ এর রচয়িতা কে? ক) হাসান হাফিজুর রহমান খ) আল-মাহমুদ গ) হুমায়ুন আজাদ ঘ) শক্তি চট্টোপাধ্যায় ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল-মাহমুদ রচিত সনেট জাতীয় কাব্য যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৬. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত কোন নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন? ক) বিসর্জন খ) ডাকঘর গ) বসন্ত ঘ) অচলায়তন ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘বসন্ত’ নাটকটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন। তেমনি কাজী নজরুল ইসলামও তার ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন। ৭. বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকার নাম -– ক) সুন্দরম খ) লোকায়ত গ) উত্তরাধিকার ঘ) কিছুধ্বনি ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি থেকে যে ৬টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়, তার মধ্যে ‘উত্তরাধিকার’ একটি। প্রথমে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হলেও ১৯৮৩ সালে তা ত্রৈমাসিক করা হয়। বর্তমানে আবারও মাসিক প্রত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। ৮. ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর প্রধান লেখক ছিলেন — ক) কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল হুসেন প্রমুখ খ) মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন প্রমুখ গ) মোহম্মদ আকরাম খাঁ, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখ ঘ) কাজী ইমদাদুল হক, মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী প্রমুখ ব্যাখ্যা: বাঙালি মুসলমান সমাজে আড়ষ্ট বুদ্ধিকে মুক্ত করে জ্ঞানপিপাসা জাগিয়ে তোলার অভিপ্রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ও প্রবীণ ছাত্র ১৯২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। সাহিত্য সমাজের মূল ভাবযোগী ছিলেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের শিক্ষক কাজী আবদুল ওদুদ ও কর্মযোগী আবুল হুসেন। ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের বার্ষিক মুখপত্র ‘শিখা’র আপ্তবাক্য ছিল ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। ৯. ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা কোন সালে প্রথম প্রকাশিত হয়? ক) ১৮৬৫ খ) ১৮৭২ গ) ১৮৭৫ ঘ) ১৮৮১ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’। এটি ১৮৭২ সালে প্রকাশিত হয়। ১০. ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য — ক) জীবনানুভূতির গভীরতায় খ) দৃষ্টিভঙ্গির সূক্ষ্মতায় গ) কাহিনীর সরলতা ও জটিলতায় ঘ) ভাষার প্রকারভেদে ব্যাখ্যা: ১১. সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য —- ক) তৎসম ও অতৎসম শব্দের ব্যবহারে খ) ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে গ) শব্দের কথা ও লেখ্য রূপে ঘ) বাক্যের সরলতা ও জটিলতায় ব্যাখ্যা: ১২. ‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন —- ক) বিনয় ঘোষ খ) সিকান্দার আবু জাফর গ) মোহাম্মদ আকরম খাঁ ঘ) তফাজ্জল হোসেন ব্যাখ্যা: ১৩. ‘প্রভাত চিন্তা’ ‘নিভৃত চিন্তা,’ ‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা — ক) কালীপ্রসন্ন সিংহ খ) কালীপ্রসন্ন ঘোষ গ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ঘ) এস ওয়াজেদ আলী ব্যাখ্যা: ‘প্রভাত চিন্তা’ ‘নিভৃত চিন্তা’, ‘নিশীথ চিন্তা’ প্রভৃতি প্রবন্ধের রচয়িতা কালীপ্রসন্ন ঘোষ। ১৪. ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ এই উক্তিটি কার? ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ) কাজী আবদুল ওদুদ গ) মোহম্মদ লুৎফর রহমান ঘ) প্রমথ চৌধুরী ব্যাখ্যা: ১৫. শুদ্ধ বানানটি নির্দেশ করুন — ক) মুহুর্মুহু খ) মূহুর্মুহু গ) মুর্হমূহু ঘ) মুর্হুর্মূহু ব্যাখ্যা: ১৬. ‘দ্যুলোক’ শব্দের যথার্থ সন্ধি –বিচ্ছেদ কোনটি? ক) দুঃ + লোক খ) দিব্ + লোক গ) দ্বি + লোক ঘ) দ্বিঃ + লোক ব্যাখ্যা: দ্যুলোক= দিব্ + লোক; এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি। ১৭. ‘তাপ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ — ক) শৈত্য খ) শীতল গ) উত্তাপ ঘ) হিম ব্যাখ্যা: ১৮. ‘ইচ্ছা’ বিশেষ্যের বিশেষণ নির্দেশ করুন। ক) ইচ্ছাময় খ) ঐচ্ছিক গ) ইচ্ছুক ঘ) অনিচ্ছা ব্যাখ্যা: ১৯. কোন বাক্যটিতে সমধাতুজ কর্ম আছে? ক) সে বই পড়ছে খ) সে গভীর চিন্তায় মগ্ন গ) সে ঘুমিয়ে আছে ঘ) সে যে চাল চেলেছে তাতে তাকে ষড়যন্ত্রকারী ছাড়া আর কিছু বলা যায় না ব্যাখ্যা: বাক্যের ক্রিয়া ও কর্ম যদি একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয় তবে সেই বাক্যের কর্মকে সমধাতুজ কর্ম বলে। এই বাক্যে ‘চাল’ কর্ম এবং চেলেছে ‘ক্রিয়াপদ’ একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হয়েছে। Submit answers Your Score: